Brusel – Eurokomisař pro obchod Maroš Šefčovič dnes oznámil, že po telefonu znovu jednal s americkým ministrem obchodu Howardem Lutnickem. Evropská unie a Spojené státy pokračují v úsilí o uzavření obchodní dohody, která povede ke snížení cel. Šefčovič na sociální síti X uvedl, že je s Lutnickem v trvalém kontaktu.
গতকাল প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান যে তিনি ফেডারেল রিজার্ভের পরবর্তী চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীদের সাক্ষাৎকার সম্পন্ন করেছেন এবং ইতোমধ্যে তিনি সম্ভাব্য চেয়ারম্যানকে নির্ধারণ করেছেন। ট্রাম্প বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের বলেন যে তিনি শীঘ্রই তাঁর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করবেন, তবে নাম প্রকাশ করবেন না। তিনি যোগ করেন যে ব্যক্তিটি খুবই সম্মানিত ও সুপরিচিত এবং তিনি মনে করেন যে সেই ব্যক্তি চমৎকার কাজ করবেন।
এই মন্তব্য অনিবার্যভাবে আর্থিক মহলে অনুমান ও তীব্র বিতর্ক উস্কে দিয়েছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে সংবাদমাধ্যে ঘুরে বেড়ানো নামগুলোতে অভিজ্ঞ অর্থনীতিবিদ ও সাবেক কর্মকর্তাদের পাশাপাশি আর্থিক খাতের এমন কয়েকজন ব্যক্তিত্বও রয়েছে যারা ট্রাম্প প্রশাসনের অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি শ্রদ্ধাশীল।
ফেডের নতুন চেয়ারম্যানের নির্বাচন যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্ব অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে। মনোনীত ব্যক্তি এমন এক সময়ে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংককে নেতৃত্ব দেবেন যখন নীতিনির্ধারকদের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে সমর্থন ও শ্রমবাজার পরিস্থিতির বিবেচনার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে এবং আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রণে প্রভাব বিস্তারকারী বিষয়গুলো মোকাবেলা করতে হবে। প্রেসিডেন্টের মতের সঙ্গে মিল রেখে চলা চেয়ারম্যান আর্থিক নীতিমালার গতিপথ পাল্টে দিতে পারেন, কারণ ট্রাম্প বারবার ফেডকে সুদের হার হ্রাসের চাপ দিয়ে আসছেন। বিনিয়োগকারী ও বিশ্লেষকরা ভবিষ্যৎ সুদের হার, মুদ্রাস্ফীতির হার ও ডলারের দিকনির্দেশ সম্পর্কে ইঙ্গিত পেতে এই প্রক্রিয়াগুলোর প্রতি ঘনিষ্ঠভাবে নজর রাখবেন। আসন্ন দিনগুলোতে প্রেসিডেন্টের মনোনীত ব্যক্তি সম্পর্কে ঘোষণা দেয়া হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে, যা পরিস্থিতি স্পষ্ট করবে এবং মার্কেটেও স্থিতিশীলতা নিইয়ে আসতে পারে।
ট্রাম্পের সংক্ষিপ্ত তালিকায় ন্যাশনাল ইকোনমিক কাউন্সিলের পরিচালক কেভিন হাসেট, ব্ল্যাকরকের রিক রিডার, বর্তমান ফেড গভর্নর ক্রিস্টোফার ওয়ালার এবং সাবেক গভর্নর কেভিন ওয়ার্শ রয়েছে। এর আগে হ্যাসেটকে সবচেয়ে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে ধরা হচ্ছিল, তবে ট্রাম্প গতকাল ইঙ্গিত দিয়েছেন যে তিনি সম্ভবত হ্যাসেটকে তাঁর বর্তমান ভূমিকায় রাখতে পছন্দ করতে পারবেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট তাঁর মনোনীত ব্যক্তিকে জেরোম পাওয়েলকে স্থলাভিষিক্ত করবেন, যাঁর মেয়াদ মে মাসে শেষ হচ্ছে। 2025 সাল জুড়ে ধীরগতিতে সুদের হার হ্রাসের জন্য ট্রাম্প বারবার পাওয়েলের সমালোচনা করেছেন।
কতজন প্রার্থী এখনো বিবেচনায় রয়েছে সে ব্যাপারে এই সপ্তাহের শুরুতে ট্রাম্প ডাভোসে ট্রাম্প সংকেত দিয়েছিলেন। ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট, যাঁর নেতৃত্বে এই অনুসন্ধান চলছে, সম্প্রতি বলেছেন যে সংক্ষিপ্ত তালিকায় চারজন প্রার্থী রয়েছেন এবং প্রেসিডেন্ট এই মাসের শেষের মধ্যে তাঁর পছন্দের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করতে পারেন। উল্লেখযোগ্যভাবে, ট্রাম্প ফেডের গভর্নর লিসা কুককে মর্টগেজ প্রতারণার অভিযোগের কারণে অপসারণের চেষ্টা করেছিলেন, যা তিনি অস্বীকার করেন; উল্লেখ্য যে মামলা চলার সময় লিসা কুককে তাঁর দফতরে থাকার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এই সপ্তাহে সুপ্রিম কোর্টে উক্ত মামলার মৌখিক শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। এইভাবে ফেড থেকে কাউকে অপসারণ করার এখতিয়ার আছে কিনা এই প্রশ্নের উত্তরে ট্রাম্প বলেছেন তিনি বিচারপতিদের প্রশ্নের প্রতিক্রিয়া জানাবেন।
EUR/USD-এর টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপট অনুযায়ী, ক্রেতাদের এই পেয়ারের মূল্যকে 1.1766 লেভেলে পুনরুদ্ধার করা উচিত; শুধুমাত্র এই লেভেলে পৌছালেই এই পেয়ারের মূল্যের 1.1785-এর লেভেলে পৌঁছানোর সম্ভাবনা উন্মুক্ত হবে। সেখান থেকে এই পেয়ারের মূল্য 1.1810 পর্যন্ত যেতে পারে, যদিও বড় ট্রেডারদের সহায়তা ছাড়া উক্ত লেভেল অতিক্রম করা কঠিন হবে। ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকার ক্ষেত্রে এই পেয়ারের মূল্যের 1.1851-এর লেভেলের দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যায়। দরপতনের ক্ষেত্রে এই পেয়ারের মূল্য প্রায় 1.1735-এর আশেপাশে থাকা অবস্থায় ক্রেতাদের সক্রিয় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যদি সেখানে ক্রেতারা সক্রিয় না হয়, তাহলে এই পেয়ারের মূল্য 1.1705-এ নেমে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করা বা 1.1670 থেকে লং পজিশন ওপেন করা উচিত হবে।
GBP/USD-এর ক্ষেত্রে পাউন্ডের ক্রেতাদের মূল্যকে নিকটস্থ রেজিস্ট্যান্স 1.3514 লেভেলে নিয়ে যেতে হবে। কেবল তখনই এই পেয়ারের মূল্যকে 1.3540-এর লক্ষ্যমাত্রায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে; যা ব্রেকআউট করে ঊর্ধ্বমুখী হওয়া বেশ চ্যালেঞ্জিং হবে। ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকার ক্ষেত্রে এই পেয়ারের মূল্যের 1.3564-এর লেভেলের দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যায়। এই পেয়ারের দরপতনের ক্ষেত্রে মূল্য 1.3485-এ থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণের চেষ্টা করবে। এই পেয়ারের মূল্য ওই রেঞ্জ ব্রেক করে নিম্নমুখী হলে সেটি বুলিশ পজিশনগুলোর লিকুইডেশনের কারণ হয়ে দাঁড়াবে এবং GBP/USD পেয়ারের মূল্য 1.3460 পর্যন্ত নেমে যেতে পারে, যেখানে দরপতন প্রসারিত হয়ে 1.3435 পর্যন্ত নেমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।